ব্লাড প্রেসার নিয়ে আমাদের ভাবনা…!!!
আমরা অনেকেই নিয়মিত রক্তচাপ মেপে দেখি না। অনেকে আবার ভাবেন, কোনো লক্ষণ নেই, তাহলে রক্তচাপ মাপার দরকার কী? অনেকে আবার একটু-আধটু রক্তচাপ বেশি থাকলে পাত্তা দেন না। ভাবেন, বয়স হলে এমন বাড়তেই পারে।
মনে রাখবেন, বেশির ভাগ উচ্চ রক্তচাপেরই কোনো উপসর্গ থাকে না। এ জন্য নিয়মিত না মাপলে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ার সুযোগ কম। বিশ্বে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের প্রায় ৪৬ শতাংশই জানেন না যে, তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে। শুধু রক্তচাপ মাপার জন্য সব সময় চিকিৎসকের কাছে যাওয়াও হয় না। কিন্তু বাড়িতে নিয়মিত রক্তচাপ মাপা যেতে পারে। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়স থেকেই আমাদের সঠিকভাবে নিয়মিত রক্তচাপ মাপার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ না করলে যা হবে
হৃদ্রোগ: উচ্চ রক্তচাপ হৃদ্রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি। উচ্চ রক্তচাপে হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালি সংকুচিত হয়। রক্তনালির দেয়াল পুরু হতে থাকে এবং হৃদ্যন্ত্রে রক্তপ্রবাহ কমে আসে। তখন অ্যানজাইনা, হার্ট অ্যাটাক, হার্ট বড় হওয়া এবং হার্ট ফেইলিউর হতে পারে।
স্ট্রোক: উচ্চ রক্তচাপ থেকে মস্তিষ্কের রক্তনালিও সংকুচিত হয়। রক্তনালি সংকুচিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। এ অবস্থাকে বলে স্ট্রোক। স্ট্রোক হলে শরীরের এক পাশ বা অংশবিশেষ দুর্বল বা অবশ হতে পারে, মুখ বেঁকে যেতে পারে। প্রচণ্ড মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং জ্ঞান হারানোও স্ট্রোকের লক্ষণ।
দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ: উচ্চ রক্তচাপে কিডনির কার্যকারিতা কমতে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি কিডনির রোগ এবং কিডনি বৈকল্যের অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ।
চক্ষুরোগ: দৃষ্টিশক্তির ওপর উচ্চ রক্তচাপের প্রভাব আছে। দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ চোখের রেটিনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রেটিনাতে রক্তক্ষরণ হয়। কমে আসে দৃষ্টিশক্তি।
গর্ভকালীন জটিলতা: গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ মা ও গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের পা ফোলা, শরীরে পানি জমা, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হার্ট ফেইলিউর, রক্তক্ষরণ, খিঁচুনি ইত্যাদি হতে পারে। প্রি-একলাম্পসিয়া এবং একলাম্পসিয়ার কারণ উচ্চ রক্তচাপ। উচ্চ রক্তচাপজনিত গর্ভাবস্থায় জটিলতায় গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
তাই অবহেলা না করে আজই অর্ডার করে ফেলুন আমাদের ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার মেশিনটি।
তাই আর দেরি না করে এখুনি উপরে “Order Now” বাটনে ক্লিক করুন।








Reviews
There are no reviews yet.